ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে আইএমডি ত্রিপুরায় রেড অ্যালার্টের মেয়াদ ১ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে, সেপাহিজালা জেলায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

Entry Thumbnail
ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে আইএমডি ত্রিপুরায় রেড অ্যালার্টের মেয়াদ ১ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে, সেপাহিজালা জেলায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
The Social Bangla

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ ত্রিপুরার বেশ কয়েকটি জেলায় ১ মে পর্যন্ত রেড অ্যালার্টের মেয়াদ বাড়িয়েছে এবং আগামী দিনগুলিতে বজ্রসহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে।

আগরতলার আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত খোয়াই, পশ্চিম ত্রিপুরা, সিপাহিজালা, গোমতী এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার এক বা দুটি স্থানে ৭ সেমি থেকে ২০ সেমি পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বাকি জেলাগুলির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যা বিচ্ছিন্ন স্থানে একই রকম বৃষ্টিপাতের তীব্রতা নির্দেশ করে। পূর্বাভাসে রাজ্যের কিছু অংশে বজ্রপাতসহ ঝড়ো হাওয়া এবং ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে।

আইএমডি পশ্চিম ত্রিপুরা এবং সিপাহিজালা জেলার জন্য লাল সতর্কতা ৩০শে এপ্রিল থেকে ১লা মে পর্যন্ত আরও বাড়িয়েছে, যেখানে তীব্র বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে অন্যান্য জেলাগুলি কমলা সতর্কতার অধীনে থাকবে।

২রা মে থেকে সতর্কতার মাত্রা কিছুটা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে সিপাহিজালা এবং দক্ষিণ জেলাগুলি কমলা সতর্কতার অধীনে থাকবে, এবং ত্রিপুরার বাকি অংশ হলুদ সতর্কতার অধীনে থাকবে।

রাতের বৃষ্টির কারণে রাজ্য জুড়ে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উত্তর ত্রিপুরায় ৩৭ মিমি এবং উনাকোটিতে ১৭ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ধলাই জেলায় ৯৯ মিমি, খোয়াইয়ে ৬৮.৮ মিমি এবং পশ্চিম ত্রিপুরায় ৯১.৫ মিমি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেপাহিজালায় সর্বোচ্চ ১৪৫.৫ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে গোমতীতে ৭৯.১ মিমি এবং দক্ষিণ ত্রিপুরায় ৭৭.০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির উপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে, কারণ একটানা বৃষ্টির ফলে নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে যেতে পারে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে। বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বজ্রপাত এবং প্রবল বাতাসের সময়।

0 Comments

Leave a Comment