মন্দির প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ত্রিপুরায় পৌঁছালেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।

Entry Thumbnail
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত 21 এপ্রিল নির্ধারিত মা চিন্ময়ী সৌন্দর্য মন্দিরের প্রাণ প্রতিস্থা এবং কুম্ভ অভিষেকম অনুষ্ঠানে যোগ দিতে 20 এপ্রিল আগরতলায় পৌঁছেছিলেন।
The Social Bangla


রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত ২১শে এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য মা চিন্ময়ী সৌন্দর্য মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও কুম্ভ অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০শে এপ্রিল আগরতলায় এসে পৌঁছেছেন।

আদি শঙ্করাচার্য জয়ন্তী উপলক্ষে মোহনপুরের ফকিরা মুরায় এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। মহারাজা বীর বিক্রম (এমবিবি) বিমানবন্দরে ভাগবতকে অভ্যর্থনা জানান চিন্ময় সেবা ট্রাস্টের সভাপতি এবং চিন্ময় মিশন ইন্টারন্যাশনালের ট্রাস্টি অমিত রক্ষিত।

রক্ষিতের মতে, এই অনুষ্ঠানে জিষ্ণু দেব বর্মা, ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু এবং মানিক সাহাসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, মা ত্রিপুরা সুন্দরীকে উৎসর্গীকৃত এই মন্দিরটি একটি অনন্য স্থাপত্য ও আধ্যাত্মিক নিদর্শন। এই স্থাপত্যে তামিলনাড়ু থেকে আনা ২৭টি কালো পাথরের স্তম্ভ রয়েছে, যার প্রতিটি হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্রের ২৭টি নক্ষত্রের একটির প্রতিনিধিত্ব করে।

রক্ষিত আরও বলেন যে, মন্দিরটি প্রচলিত ছাদ ছাড়াই নকশা করা হয়েছে, যা ঐশ্বরিক সত্তার সঙ্গে এক উন্মুক্ত সংযোগের প্রতীক। এর কেন্দ্রে মা ত্রিপুরা সুন্দরীর একটি ১৫ ফুট উঁচু কালো পাথরের মূর্তি রয়েছে এবং দৈনন্দিন পূজার জন্য শ্রদ্ধেয় মাতা বাড়ি মন্দিরের আদলে তৈরি একটি ছোট মূর্তিও আছে।

মন্দির চত্বরে দেবী সৌন্দর্য লহরী এবং অন্যান্য ভক্তিমূলক গ্রন্থের খোদাই ও শিলালিপিও রয়েছে, যা এর আধ্যাত্মিক তাৎপর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

0 Comments

Leave a Comment